নতুন বছরকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা

file-1
0

লেখকঃ জাহাঙ্গীর আলম শোভন 

নতুন বছর নিয়ে আপনারা কে কি ভাবছেন। বুদ্ধিমানেরা হয়তো আগেই সব ঠিকঠাক করে ফেলেছেন। অনেকে হয়তো দোটানায় আছেন। অথবা অপেক্ষায় আছেন কোনো আরকিছু একটার যেটা সাথে মিলিয়ে পরিকল্পনা স্থির করবেন। কেউবা হতাশায়ও থাকতে পারেন। আপনাদের জন্য নতুন বছরের পরিকল্পনা স্থির করতে কিছু সাজেশান নিয়ে এসেছেন ব্লগের নিয়মিত লেখক জাহাঙ্গীর আলম শোভন

তিনশ পয়ষট্টি বা চৌষট্টি দিনপর বছর ঘুরে যায়। আমাদের জীবনের বছর যদিও আমাদের জন্মদিনের সাথে নতুন বছরে প্রবেশ করে। তথাপি আমরা প্রতিটি নতুন বছরের সাথে জীবনের হিসেবে নিকেশ করে থাকি। চলে যাওয়া বছরের সফলতার ব্যরথতার দায়ভারকে পাশ কাটিয়ে নতুন বছরের হিসেবে নিকেশ শুরু করি। নতুন বছরে কখনোবা নতুন ভাবনা শুরু করি।

তেমনি করে এসেছে নতুন বছর। কারোর জন্য সফলতা কারো জন্য হয়তোবা অন্যকোনো বার্তা নিয়ে আসতে পারে। আমাদেরকে যেমনি যেকোনো বিপদ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তেমনি সাফল্যকে কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। আর সবার আগে নতুন বছরের জানা অজানা সম্ভাবনাগুলোকে বিফল হতে না দেয়ার জন্য কিছু পরিকল্পনা থাকতে হয়। আসুন দেখি সেসব বিষয় একবার আলোচনা করা যাক।

লক্ষ্যটাকে ঠিক করুন

এই কথা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য তবু আজ নতুন করে বলতে হয়। প্রথমেই লক্ষ্য ঠিক করুন বছর শেষে নিজেকে কোথায় দেখতে চান। যারা চাকরী করেন তারা ভাবুন নিজের পদবী, অফিসের কাজ এবং সেলারী স্ট্যাটাস নিয়ে। আর যারা উদ্যোক্তা তারা ভাবুন আপনার ফার্মের ব্রান্ডিং, উৎপাদন, বিক্রি এমন কি লাভ নিয়েও। মানে বছর শেষে নিজের অবস্থানটো কোথায় দেখতে চান। তারপর সে অনুযায়ী করনীয় ঠিক করুন।

কাজকে ভাগ করে নিন

আপনার কাজ যাই হোকনা কেন? আপনি হয়তো সব কাজ একা করতে পারবেন না অথবা সবকাজ একই দিন একসাথে করতে পারবেন না। তাই কাজকে ভাগ করে নিন। কোন কাজটি করবেন এবং কখন করবেন। করতে কতদিন লাগবে। এগুলো প্রয়োজনে নোট করে নিন। তারপর তা দেখে কাজ সারুন। হয়তোবা আপনি আপনার লেখা অনুসারে করতে নাও পারেন তবে লেখা থাকলে কাজ মিস হওয়ার সম্ভাবনা কমই থাকবে যদি আপনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।

টাইম ফ্রেম ও ডেট লাইন সেট করুন

আপনি প্রতিটি কাজ করবেন বলে ইস্পাতকঠিন প্রতিজ্ঞা করলেন  আর প্রতিদিন বলছেন বছরতো পড়ে রয়েছে আগামীকাল থেকে শুরু করবো এমনটা যেন না হয়। বরং প্রতিটি কাজ ঠিক কোন তারিখে শুরু করতে পারেন এবং কোন তারিখের মধ্যে শেষ করবেন সেটা আপনার ওয়ার্কিং ক্যালেন্ডারে লেখা থাকতে হবে। আপনি কাজের সুবিধার্থে একটি  ওয়ার্কিং ক্যালেন্ডারও বানাতে পারেন।

মূল্যায়ন ও উন্নয়ন

প্রতিটি দিনকে মূল্যায়ন করুন। আজ আপনার করনীয় কাজ সমূহ করেছেন কিনা। যদি কারতে না পারেন পরেরদিন যেন মিস না হয়। প্রতি সপ্তাহ ও মাসকেও এভাবে মূল্যায়ন করে পরের মাসে ক্ষতি পুষিয়ে নিন। তবে প্রতিটি দিন যেন আপনার কাজের ঘাটতি না থাকে। আর ঘাটতি থাকলেও কাজের প্রতিজ্ঞা, কাজের মূল্যায়ন এবং আগের চেয়ে পরের কাজে কিছুটা হলেও উন্নয়ন থেকে আপনি যেন সরে না আসেন।

গত বছর থেকে শিক্ষা নিন

গতবছরে থাকতে পারে আপনার ছোট ছোট ভুল, হতে পারেন কিছু কাজে ব্যর্থ। থাকিতে পারে ছোটো বড়ো নানা সফলতাও। দুটোই জীবনের অংশ। আপনি ব্যর্থতাগুলোকে বিশ্লেষন করুন, ভুল শুধরে নিন এবং পরের বারের জন্য তৈরী হোন। একইভাবে সফলতার কারণ অনুসন্ধান করুন সেটাও মাথায় রাখুন। দিন দিনে আপনার পথচলা আগের চেয়ে মসৃন হবে বলে আশা করা যায়।

তাহলে আসুন কাজে লাগাই নতুন বছরকে। গড়ি এক স্বপ্নিল সুন্দর জীবন জগৎ। ভালো থাকুন নিরন্তর।

নতুন বছরকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা

নতুন বছর নিয়ে আপনারা কে কি ভাবছেন। বুদ্ধিমানেরা হয়তো আগেই সব ঠিকঠাক করে ফেলেছেন। অনেকে হয়তো দোটানায় আছেন। অথবা অপেক্ষায় আছেন কোনো আরকিছু একটার যেটা সাথে মিলিয়ে পরিকল্পনা স্থির করবেন। কেউবা হতাশায়ও থাকতে পারেন। আপনাদের জন্য নতুন বছরের পরিকল্পনা স্থির করতে কিছু সাজেশান নিয়ে এসেছেন ব্লগের নিয়মিত লেখক জাহাঙ্গীর আলম শোভন

তিনশ পয়ষট্টি বা চৌষট্টি দিনপর বছর ঘুরে যায়। আমাদের জীবনের বছর যদিও আমাদের জন্মদিনের সাথে নতুন বছরে প্রবেশ করে। তথাপি আমরা প্রতিটি নতুন বছরের সাথে জীবনের হিসেবে নিকেশ করে থাকি। চলে যাওয়া বছরের সফলতার ব্যরথতার দায়ভারকে পাশ কাটিয়ে নতুন বছরের হিসেবে নিকেশ শুরু করি। নতুন বছরে কখনোবা নতুন ভাবনা শুরু করি।

তেমনি করে এসেছে নতুন বছর। কারোর জন্য সফলতা কারো জন্য হয়তোবা অন্যকোনো বার্তা নিয়ে আসতে পারে। আমাদেরকে যেমনি যেকোনো বিপদ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তেমনি সাফল্যকে কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। আর সবার আগে নতুন বছরের জানা অজানা সম্ভাবনাগুলোকে বিফল হতে না দেয়ার জন্য কিছু পরিকল্পনা থাকতে হয়। আসুন দেখি সেসব বিষয় একবার আলোচনা করা যাক।

লক্ষ্যটাকে ঠিক করুন

এই কথা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য তবু আজ নতুন করে বলতে হয়। প্রথমেই লক্ষ্য ঠিক করুন বছর শেষে নিজেকে কোথায় দেখতে চান। যারা চাকরী করেন তারা ভাবুন নিজের পদবী, অফিসের কাজ এবং সেলারী স্ট্যাটাস নিয়ে। আর যারা উদ্যোক্তা তারা ভাবুন আপনার ফার্মের ব্রান্ডিং, উৎপাদন, বিক্রি এমন কি লাভ নিয়েও। মানে বছর শেষে নিজের অবস্থানটো কোথায় দেখতে চান। তারপর সে অনুযায়ী করনীয় ঠিক করুন।

কাজকে ভাগ করে নিন

আপনার কাজ যাই হোকনা কেন? আপনি হয়তো সব কাজ একা করতে পারবেন না অথবা সবকাজ একই দিন একসাথে করতে পারবেন না। তাই কাজকে ভাগ করে নিন। কোন কাজটি করবেন এবং কখন করবেন। করতে কতদিন লাগবে। এগুলো প্রয়োজনে নোট করে নিন। তারপর তা দেখে কাজ সারুন। হয়তোবা আপনি আপনার লেখা অনুসারে করতে নাও পারেন তবে লেখা থাকলে কাজ মিস হওয়ার সম্ভাবনা কমই থাকবে যদি আপনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।

টাইম ফ্রেম ও ডেট লাইন সেট করুন

আপনি প্রতিটি কাজ করবেন বলে ইস্পাতকঠিন প্রতিজ্ঞা করলেন  আর প্রতিদিন বলছেন বছরতো পড়ে রয়েছে আগামীকাল থেকে শুরু করবো এমনটা যেন না হয়। বরং প্রতিটি কাজ ঠিক কোন তারিখে শুরু করতে পারেন এবং কোন তারিখের মধ্যে শেষ করবেন সেটা আপনার ওয়ার্কিং ক্যালেন্ডারে লেখা থাকতে হবে। আপনি কাজের সুবিধার্থে একটি  ওয়ার্কিং ক্যালেন্ডারও বানাতে পারেন।

মূল্যায়ন ও উন্নয়ন

প্রতিটি দিনকে মূল্যায়ন করুন। আজ আপনার করনীয় কাজ সমূহ করেছেন কিনা। যদি কারতে না পারেন পরেরদিন যেন মিস না হয়। প্রতি সপ্তাহ ও মাসকেও এভাবে মূল্যায়ন করে পরের মাসে ক্ষতি পুষিয়ে নিন। তবে প্রতিটি দিন যেন আপনার কাজের ঘাটতি না থাকে। আর ঘাটতি থাকলেও কাজের প্রতিজ্ঞা, কাজের মূল্যায়ন এবং আগের চেয়ে পরের কাজে কিছুটা হলেও উন্নয়ন থেকে আপনি যেন সরে না আসেন।

গত বছর থেকে শিক্ষা নিন

গতবছরে থাকতে পারে আপনার ছোট ছোট ভুল, হতে পারেন কিছু কাজে ব্যর্থ। থাকিতে পারে ছোটো বড়ো নানা সফলতাও। দুটোই জীবনের অংশ। আপনি ব্যর্থতাগুলোকে বিশ্লেষন করুন, ভুল শুধরে নিন এবং পরের বারের জন্য তৈরী হোন। একইভাবে সফলতার কারণ অনুসন্ধান করুন সেটাও মাথায় রাখুন। দিন দিনে আপনার পথচলা আগের চেয়ে মসৃন হবে বলে আশা করা যায়।

তাহলে আসুন কাজে লাগাই নতুন বছরকে। গড়ি এক স্বপ্নিল সুন্দর জীবন জগৎ। ভালো থাকুন নিরন্তর।

Share this to your friend

Leave us a comment